বেচা-কেনা.com
ই-পেপার
প্রেস রিলিজ
ফেসবুক পেজসমূহ
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
  • দৈনিক ঈশান | Dainik Ishan
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
Dainik Ishan
XLinkedIn@MessengerWhatsAppInstagramTelegramYouTube
    Dainik Ishan
    প্রকাশক: কামাল উদ্দিন
    সম্পাদক: খ. ম. ইব্রাহিম
    গোপনীয়তার নীতি|আমাদের সম্পর্কে|আর্কাইভ

    যোগাযোগ

    সম্পাদকীয় কার্যালয় : নুরভবন, শাহ আমানত সড়ক, চট্টগ্রাম।

    ফোন : ০৯৬৯৭৫১০০২৪, ০১৫৩২৭৬৪৪০৪।

    ইমেইল: [email protected]

    প্রয়োজনীয় লিংক

    • Facebookফেসবুক পেজ
    • Xএক্স (টুইটার)
    • LinkedInলিংকডইন
    • @থ্রেডস
    • Messengerমেসেঞ্জার
    • WhatsAppহোয়াটসঅ্যাপ
    • Instagramইনস্টাগ্রাম
    • Telegramটেলিগ্রাম
    • YouTubeইউটিউব চ্যানেল
    • টিকটক

    কিউআর কোড

    QR Code
    Copyright©DainikIshan`2023 । সতর্কতা-কপিরাইট অ্যাক্ট অনুসরণ করুন...
    Developed by F.A. Creative Firm Limited

    ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা: প্রীতি ম্যাচে আবার মুখোমুখি

    ইউটিউব চ্যানেল
    0
    ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা: প্রীতি ম্যাচে আবার মুখোমুখি
    ফলো করুনFacebook দৈনিক ঈশান ফেসবুকWhatsApp দৈনিক ঈশান হোয়াটসঅ্যাপMessenger দৈনিক ঈশান মেসেঞ্জার
    Google News Follow
    18px
    Dainik Ishanঈশান/প্রবি১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৭ AM
    Dainik Ishan

    ঈশান প্রতিবেদক

    অনলাইন সংস্করণ

    ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৭ AM

    নিউজটি পড়েছেন: 1010
    শেয়ার০
    এ সম্পর্কিত আরও খবর
    জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসী মনা হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার,

    জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসী মনা হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার,

    রাউজানে ফের বিএনপি কর্মী খুন

    রাউজানে ফের বিএনপি কর্মী খুন

    চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    বিজ্ঞাপন — ১৬০ × ৬০০

    সরকারের নতুন উদ্যোগে দেশে শিল্পায়নের গতি বাড়বে নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দেশের সাধারণ মানুষ এই নিয়ে অনেকদিন ধরেই আলোচনা করছেন। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবক্ষেত্রে এর প্রতিফলন কতটুকু তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়া হয় তবে ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংকটের সৃষ্টি হতে পারে।

    ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে এই নিয়ে সভা-সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বক্তারা জোর দিয়েছেন আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর। তারা বলছেন, বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে আমাদের অবশ্যই বিজ্ঞানের সাহায্য নিতে হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে এই বিষয়ে আরও সচেতন করে তুলতে হবে। কারণ তারাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এই নিয়ে পাঠ্যক্রম যুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    অন্যদিকে, অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরণের উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হলে এই ধরণের প্রকল্পের কোনো বিকল্প নেই। তবে দুর্নীতি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা যাতে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা তাদের মতামত তুলে ধরছেন। কেউ কেউ বলছেন এটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, আবার কেউ কেউ এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তবে সবাই একমত যে, দেশের স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের এই উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। বিভিন্ন দাতা সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীরা এই প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এটি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    পরিশেষে বলা যায়, তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এই নিয়ে পাঠ্যক্রম যুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    অন্যদিকে, অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরণের উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হলে এই ধরণের প্রকল্পের কোনো বিকল্প নেই। তবে দুর্নীতি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা যাতে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা তাদের মতামত তুলে ধরছেন। কেউ কেউ বলছেন এটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, আবার কেউ কেউ এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তবে সবাই একমত যে, দেশের স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের এই উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। বিভিন্ন দাতা সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীরা এই প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এটি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন :জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসী মনা হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার,

    পরিশেষে বলা যায়, তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।সরকারের নতুন উদ্যোগে দেশে শিল্পায়নের গতি বাড়বে নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দেশের সাধারণ মানুষ এই নিয়ে অনেকদিন ধরেই আলোচনা করছেন। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবক্ষেত্রে এর প্রতিফলন কতটুকু তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়া হয় তবে ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংকটের সৃষ্টি হতে পারে।

    ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে এই নিয়ে সভা-সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বক্তারা জোর দিয়েছেন আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর। তারা বলছেন, বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে আমাদের অবশ্যই বিজ্ঞানের সাহায্য নিতে হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে এই বিষয়ে আরও সচেতন করে তুলতে হবে। কারণ তারাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এই নিয়ে পাঠ্যক্রম যুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    অন্যদিকে, অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরণের উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হলে এই ধরণের প্রকল্পের কোনো বিকল্প নেই। তবে দুর্নীতি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা যাতে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা তাদের মতামত তুলে ধরছেন। কেউ কেউ বলছেন এটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, আবার কেউ কেউ এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তবে সবাই একমত যে, দেশের স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের এই উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। বিভিন্ন দাতা সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীরা এই প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এটি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    পরিশেষে বলা যায়, তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এই নিয়ে পাঠ্যক্রম যুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    অন্যদিকে, অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরণের উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হলে এই ধরণের প্রকল্পের কোনো বিকল্প নেই। তবে দুর্নীতি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা যাতে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা তাদের মতামত তুলে ধরছেন। কেউ কেউ বলছেন এটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, আবার কেউ কেউ এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তবে সবাই একমত যে, দেশের স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের এই উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। বিভিন্ন দাতা সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীরা এই প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এটি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    পরিশেষে বলা যায়, তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    আরও পড়ুন :রাউজানে ফের বিএনপি কর্মী খুন

    সরকারের নতুন উদ্যোগে দেশে শিল্পায়নের গতি বাড়বে নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দেশের সাধারণ মানুষ এই নিয়ে অনেকদিন ধরেই আলোচনা করছেন। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবক্ষেত্রে এর প্রতিফলন কতটুকু তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়া হয় তবে ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংকটের সৃষ্টি হতে পারে।

    ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে এই নিয়ে সভা-সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বক্তারা জোর দিয়েছেন আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর। তারা বলছেন, বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে আমাদের অবশ্যই বিজ্ঞানের সাহায্য নিতে হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে এই বিষয়ে আরও সচেতন করে তুলতে হবে। কারণ তারাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এই নিয়ে পাঠ্যক্রম যুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    অন্যদিকে, অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরণের উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হলে এই ধরণের প্রকল্পের কোনো বিকল্প নেই। তবে দুর্নীতি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা যাতে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা তাদের মতামত তুলে ধরছেন। কেউ কেউ বলছেন এটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, আবার কেউ কেউ এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তবে সবাই একমত যে, দেশের স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের এই উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। বিভিন্ন দাতা সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীরা এই প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এটি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    পরিশেষে বলা যায়, তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এই নিয়ে পাঠ্যক্রম যুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    অন্যদিকে, অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরণের উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হলে এই ধরণের প্রকল্পের কোনো বিকল্প নেই। তবে দুর্নীতি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা যাতে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা তাদের মতামত তুলে ধরছেন। কেউ কেউ বলছেন এটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, আবার কেউ কেউ এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তবে সবাই একমত যে, দেশের স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের এই উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। বিভিন্ন দাতা সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীরা এই প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এটি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন :চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    পরিশেষে বলা যায়, তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।সরকারের নতুন উদ্যোগে দেশে শিল্পায়নের গতি বাড়বে নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দেশের সাধারণ মানুষ এই নিয়ে অনেকদিন ধরেই আলোচনা করছেন। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবক্ষেত্রে এর প্রতিফলন কতটুকু তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়া হয় তবে ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংকটের সৃষ্টি হতে পারে।

    ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে এই নিয়ে সভা-সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বক্তারা জোর দিয়েছেন আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর। তারা বলছেন, বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে আমাদের অবশ্যই বিজ্ঞানের সাহায্য নিতে হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে এই বিষয়ে আরও সচেতন করে তুলতে হবে। কারণ তারাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এই নিয়ে পাঠ্যক্রম যুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    অন্যদিকে, অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরণের উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হলে এই ধরণের প্রকল্পের কোনো বিকল্প নেই। তবে দুর্নীতি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা যাতে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা তাদের মতামত তুলে ধরছেন। কেউ কেউ বলছেন এটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, আবার কেউ কেউ এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তবে সবাই একমত যে, দেশের স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের এই উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। বিভিন্ন দাতা সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীরা এই প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এটি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    পরিশেষে বলা যায়, তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এই নিয়ে পাঠ্যক্রম যুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    অন্যদিকে, অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরণের উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হলে এই ধরণের প্রকল্পের কোনো বিকল্প নেই। তবে দুর্নীতি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা যাতে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা তাদের মতামত তুলে ধরছেন। কেউ কেউ বলছেন এটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, আবার কেউ কেউ এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তবে সবাই একমত যে, দেশের স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের এই উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। বিভিন্ন দাতা সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীরা এই প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এটি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    পরিশেষে বলা যায়, তবে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব একটি প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা পৌঁছাতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    ঈশান/প্রবি
    Google News

    দৈনিক ঈশানের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

    ‹ আগের নিউজমতিঝিলে নতুন বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স নির্মাণ শুরু

    মন্তব্য করুন

    আরও পড়ুন

    জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসী মনা হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার,

    জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসী মনা হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার,

    রাউজানে ফের বিএনপি কর্মী খুন

    রাউজানে ফের বিএনপি কর্মী খুন

    চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    চট্টগ্রামে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ২.৫৩ টাকা

    চট্টগ্রামে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ২.৫৩ টাকা

    চুয়েটে পুরকৌশল বিভাগের এক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া শুরু

    চুয়েটে পুরকৌশল বিভাগের এক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া শুরু

    রেলওয়ের সিসিএস দপ্তর ঢাকায় স্থানান্তরে সক্রিয় কুচক্রি মহল

    রেলওয়ের সিসিএস দপ্তর ঢাকায় স্থানান্তরে সক্রিয় কুচক্রি মহল

    জব্বারের বলীখেলায় ‘বাঘা’ শরীফের হ্যাটট্রিক, কিশোরের বাজিমাত

    জব্বারের বলীখেলায় ‘বাঘা’ শরীফের হ্যাটট্রিক, কিশোরের বাজিমাত

    এনইসির সম্মেলন কক্ষে ৯৮ ইঞ্চি নতুন টেলিভিশন!

    এনইসির সম্মেলন কক্ষে ৯৮ ইঞ্চি নতুন টেলিভিশন!
    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    দিনের সেরা খবর
    ১

    জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসী মনা হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার,

    ১৯২৪৯ বার পড়া হয়েছে
    ২

    রাউজানে ফের বিএনপি কর্মী খুন

    ১৬৩ বার পড়া হয়েছে
    ৩

    চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    ৫৭৬ বার পড়া হয়েছে
    ৪

    চট্টগ্রামে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ২.৫৩ টাকা

    ৫৭৫ বার পড়া হয়েছে
    ৫

    চুয়েটে পুরকৌশল বিভাগের এক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া শুরু

    ৬২২ বার পড়া হয়েছে
    ৬

    রেলওয়ের সিসিএস দপ্তর ঢাকায় স্থানান্তরে সক্রিয় কুচক্রি মহল

    ৯০১ বার পড়া হয়েছে
    ৭

    জব্বারের বলীখেলায় ‘বাঘা’ শরীফের হ্যাটট্রিক, কিশোরের বাজিমাত

    ১১৬৯ বার পড়া হয়েছে
    ৮

    এনইসির সম্মেলন কক্ষে ৯৮ ইঞ্চি নতুন টেলিভিশন!

    ১৭২০ বার পড়া হয়েছে
    ৯

    দাম বাড়তেই উধাও জ্বালানি তেলের সংকট

    ১৮৬৮ বার পড়া হয়েছে
    ১০

    চসিকের সাবেক মেয়র রেজাউল করিমের অনিয়ম তদন্তে দুদক

    ১৯৫৫ বার পড়া হয়েছে
    সব খবর
    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    ১

    জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসী মনা হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার,

    ২

    রাউজানে ফের বিএনপি কর্মী খুন

    ৩

    চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    ৪

    চট্টগ্রামে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ২.৫৩ টাকা

    ৫

    চুয়েটে পুরকৌশল বিভাগের এক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া শুরু

    ৬

    রেলওয়ের সিসিএস দপ্তর ঢাকায় স্থানান্তরে সক্রিয় কুচক্রি মহল

    ৭

    জব্বারের বলীখেলায় ‘বাঘা’ শরীফের হ্যাটট্রিক, কিশোরের বাজিমাত

    ৮

    এনইসির সম্মেলন কক্ষে ৯৮ ইঞ্চি নতুন টেলিভিশন!

    ৯

    দাম বাড়তেই উধাও জ্বালানি তেলের সংকট

    ১০

    চসিকের সাবেক মেয়র রেজাউল করিমের অনিয়ম তদন্তে দুদক

    সব খবর
    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০