Dainik Ishan
প্রকাশক: কামাল উদ্দিন
সম্পাদক: খ. ম. ইব্রাহিম
গোপনীয়তার নীতি|আমাদের সম্পর্কে|আর্কাইভ

যোগাযোগ

সম্পাদকীয় কার্যালয় : নুরভবন, শাহ আমানত সড়ক, চট্টগ্রাম।

ফোন : ০৯৬৯৭৫১০০২৪, ০১৫৩২৭৬৪৪০৪।

ইমেইল: dainikishan@gmail.com

প্রয়োজনীয় লিংক

  • Facebookফেসবুক পেজ
  • Xএক্স (টুইটার)
  • LinkedInলিংকডইন
  • @থ্রেডস
  • Messengerমেসেঞ্জার
  • WhatsAppহোয়াটসঅ্যাপ
  • Instagramইনস্টাগ্রাম
  • Telegramটেলিগ্রাম
  • YouTubeইউটিউব চ্যানেল
  • টিকটক

কিউআর কোড

QR Code
Copyright©DainikIshan`2023 । সতর্কতা-কপিরাইট অ্যাক্ট অনুসরণ করুন...
Developed by Dainik Ishan IT Team
বেচা-কেনা.com
ই-পেপার
প্রেস রিলিজ
ফেসবুক পেজসমূহ
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
  • দৈনিক ঈশান | Dainik Ishan
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
Dainik Ishan
XLinkedIn@MessengerWhatsAppInstagramTelegramYouTube
    বিজ্ঞাপন — 970 × 90

    আপনার এলাকার খবর

    ট্রেন্ডিং: দুদক

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

    ইজারার চেয়ে খাস কালেকশনে আগ্রহী চসিক!

    ইজারার চেয়ে খাস কালেকশনে আগ্রহী চসিক!

    রাবিপ্রবির অশান্তির মুলে পিডি গফুর, ভিসি কার্যালয়ে তালা

    রাবিপ্রবির অশান্তির মুলে পিডি গফুর, ভিসি কার্যালয়ে তালা

    সাড়ে ৪৭ কোটি টাকা আত্নসাতের মামলায় ব্যবসায়ীর ১১ বছর কারাদন্ড

    চট্টগ্রাম নগরীর এবি ব্যাংক লিমিটেডের জুবিলি রোড শাখা থেকে ৪৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮৫ টাকা অর্থ আত্নসাতের মামলায় গিয়াস উদ্দিন ওরফে কুসুম নামে এক ব্যবসায়ীকে ১১ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাকে সমপরিমাণ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রবিবার (৩ মে) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ আদেশ দেন। দন্ডপ্রাপ্ত গিয়াস উদ্দিন ওরফে কুসুম সীতাকুন্ড থানাধীন ছলিমপুর এলাকার মৃত মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে। চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার ফৌজদারহাট এলাকার তানহা স্টিল নামে একটি শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের মালিক। আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদুকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোকারম হোসেন। তিনি জানান, ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দন্ডবিধির ৪০৯ ধারায় গিয়াস উদ্দিন ওরফে কুসুমকে পাঁচ বছর এবং ৪২০ ধারায় এক বছর কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ ধারায় আরও পাঁচ বছর সশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। সূত্র জানায়, র্স্ক্যাপ জাহাজ ও কাঁচামাল আমদানির নামে ঋণ নিয়ে আত্নাসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছিল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। মামলায় অপর আসামি মোহাম্মদ নুরুন্নবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেয়া হয়েছে।মামলার নথির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৩১ মার্চ তানহা স্টিলের নামে গিয়াস উদ্দিন কুসুম ১৮ হাজার ৫৯৯ টন ওজনের একটি র্স্ক্যাপ জাহাজ আদমানির জন্য এবি ব্যাংকের জুবিলী রোড শাখায় ৬৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকার একটি বৈদেশিক ঋণপত্র খোলেন। বৈদেশিক ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ না করায় এবি ব্যাংককে ২৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা ফোর্সড লোন দিতে হয়। এরপর ২০১৩ সালের ১২ নভেম্বর ৫ হাজার ৪০২ মেট্রিকটন লোহার প্লেট আমদানির জন্য ১৭ কোটি ৯৮ লাখ ৮৬ হাজার ৬০০ টাকার আরও একটি স্থানীয় ঋণপত্র খোলেন। সেই ঋণও তিনি পরিশোধ থেকে বিরত থাকেন। এ অবস্থায় এবি ব্যাংকের কর্মকর্তারা ২০১৪ সালের ১২ মার্চ কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে জানতে পারেন, ব্যাংকের অজ্ঞাতে সব মালামাল গিয়াস উদ্দিন সরিয়ে নিয়েছেন। তিনি দেশ ছেড়ে গেছেন বলেও ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানতে পারেন। এ অবস্থায় উভয় ঋণের বিপরীতে সুদসহ তার কাছে ব্যাংকের পাওনা দাঁড়ায় ৪৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮৫ টাকা।পরিদর্শনের পরদিন এবি ব্যাংকের জুবিলী রোড শাখার ব্যবস্থাপক হাসান মাহমুদ নগরীর কোতোয়ালী থানায় গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে দন্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এতে গিয়াসের সঙ্গে ওই ব্যাংকের তৎকালীন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুন্নবীকেও আসামি করা হয়। ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন।

    ৭ দিন আগে
    সাড়ে ৪৭ কোটি টাকা আত্নসাতের মামলায় ব্যবসায়ীর ১১ বছর কারাদন্ড

    জরিমানা দিয়েও ভেজাল পণ্য খাওয়াচ্ছে ‘ওয়েল ফুড’

    “গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ওয়েল ফুডের উৎপাদিত কেক, মিষ্টি, পেস্ট্রিসহ বিভিন্ন বেকারি পণ্যে রেডম্যান লেমন ইয়েলো কালার পেস্ট (ফুড গ্রেড কালার) ব্যবহার করা হচ্ছে। যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। এসব ক্ষতিকর উপাদানের কারণে নানা রোগ হতে পারে। সংস্থাটি অভিযানে গিয়ে ভেজাল অপতৎপরতার প্রমাণ পাচ্ছে” -জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম জেলার সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল।

    ১৩ দিন আগে
    জরিমানা দিয়েও ভেজাল পণ্য খাওয়াচ্ছে ‘ওয়েল ফুড’

    চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    বউয়ের নামে কিনেছেন জমি। যেখানে নির্মাণ করেছেন বিলাস বহুল ৭ তলা বাড়ি। ব্যবহার করেন প্রিমিও গাড়ি। এছাড়া আওয়ামী লীগ নেতা ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের নামে চট্টগ্রাম মহানগর ও নিজ জন্মস্থান আনোয়ারায় কিনেছেন সারি সারি জমি। বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রেখেছেন কাড়ি কাড়ি টাকা। এসব কিছুই যেন মনে করিয়ে দেয় সেই স্বৈরাচারি শেখ হাসিনার আলোচিত দূর্নীতিবাজ ড্রাইভার জাবেদ আলীর অঢেল সম্পদের কথা। মনে করিয়ে দেয় এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমানের দূর্নীতির কথা। যাদের মতো অঢেল সম্পদের মালিক চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সাধারণ শাখার উপ-সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং ভুমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার প্রাক্তণ উচ্চমান সহকারি এইচ এম আলী আযম খান। তার কথায় এসব সম্পদের হিসাব-নিকাশ চললেও যেন নিজের কিছুই নেই। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের শোলকাটা গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হক চৌধুরীর ছেলে এইচ এম আলী আযম খান এতটাই চতুর যে, নিজের নামে কেনা অঢেল সম্পদের অনেকটাই আড়াল করে রেখেছেন। ধন-সম্পদের শক্তিতে নিজ এলাকার মানুষকে মানুষ বলেও মনে করেননা তিনি। দখল করেছেন মানুষের জমি-পুকুরসহ নানা সম্পদ। পুলিশ দিয়ে হয়রানিসহ নানাভাবে করছেন জুলুম ও নির্যাতন। এমন একাধিক ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলে তার অঢেল সম্পদের কিছু তথ্য সামনে আনা সম্ভব হয়েছে। ভুক্তভোগীদের একজন হলেন আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের শোলকাটা গ্রামের মো. আবদুল্লাহর ছেলে সমির উদ্দিন। তার প্রায় ১২ গন্ডা জায়গা জোরপূর্বক অবৈধভাবে দখল করে দেয়াল ও পিলার নির্মাণ করেছেন এইচ এম আলী আযম খান। এ নিয়ে তাকে প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন তিনি। জেলা প্রশাসনের প্রভাব বিস্তার করায় তার সাথে কুলিয়ে উঠতে না পেরে সমির উদ্দিন অঢেল সম্পদের কিয়দাংশের বিবরণ দিয়ে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের বরাবরে পৃথক অভিযোগ দায়ের করেন। ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর দায়ের করা পৃথক অভিযোগে সমির উদ্দিন উল্লেখ করেন, এইচ এম আলী আযম খান বায়েজীদ থানার পূর্ব নাছিরাবাদ পলিটেকনিক মোজাফফর নগর আবাসিক এলাকার হাজী মোজাফ্ফর আহমদ চৌধুরী সড়কে বিশাল জায়গায় ৭ তলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। বাড়িটির নাম ড্যাফোডিল ভবন। বর্তমানে জমিসহ এই বাড়ির বাজার মূল্য ২০ কোটি টাকারও বেশি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এছাড়া তার রয়েছে ৩৭ লাখ ২৩ হাজার টাকা মূল্যের প্রিমিও কার। নম্বর চট্ট-মেট্রো-গ-১২-০৯০৮। অভিযোগে দাবি করা হয়, কর্মস্থলে সাধারণ মানুষের ভুমি অধিগ্রহণ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া ঘুষের অবৈধ অর্থে পেশায় গৃহিনী স্ত্রী মোহছেনা আক্তারের নামে কেনা বিশাল এই জায়গায় ৭ তলা ড্যাফোডিল ভবন নির্মাণ করেন। এই ভবনের বিদ্যুতের মিটারও স্ত্রী মোহছেনার নামে। মিটারের নম্বর হচ্ছে ০১০৪১০০৯৫৯২০, ০১০৪১০০৯৪৮৪৮। বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ভূমির ক্রয়কৃত মালিকানা ছাড়া বিদ্যুৎ মিটার প্রদান করেন না। এভাবে তিনি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আপন ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের নামে জমি ও কোটি কোটি টাকার সম্পদ কিনেছেন। নগরীর বিভিন্ন ব্যাংকে স্বজনদের হিসাবে জমা রেখেছেন কাড়ি কাড়ি টাকা। দূর্নীতি আড়াল করতে তিনি এই উপায় অবলম্বন করেছেন। এর মধ্যেও তিনি নিজের নামে অনেক সম্পদ কিনেছেন। দূর্নীতি আড়াল করতে তিনি এসব গোপন রেখেছেন। এমন একটি জমি কেনার তথ্য মিলেছে আনোয়ারা সাব রেজিষ্ট্রার অফিসে। অফিসের দলিলমুলে দেখা যায়, এইচ এম আলী আযম খান গত ২০১৮ সালের ১২ এপৃল ৫,২৩,২০,০০০/-(পাঁচ কোটি তেইশ লক্ষ বিশ হাজার) টাকা মূল্যে ১০ একর জমি কিনেছেন। জমির দলিল নং ১৬৫৩। যেখানে তিনি নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অথচ বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সাধারণ শাখায় উপ-সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপি ও নেতাদের সাথে আলী আযম খান। ছবি : দৈনিক ঈশানএর আগে ২০২০ সালের ১ অক্টোবর চট্টগ্রামের একটি আঞ্চলিক দৈনিক পত্রিকায় এইচ এম আলী আযম খানের দুর্নীতি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। যার শিরোনাম ছিল 'কমিশন' চেক উড়ে এলএ শাখায়। এই প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমি অধিগ্রহণে ১০-১৫ শতাংশ পর্যন্ত 'কমিশন' নেওয়া হয়। আর অধিগ্রহণের চেক গ্রহণের আগেই কমিশনের চেক প্রদান করতে হয়।অনিয়মের এই চক্রে জড়িত সার্ভেয়ার কানুনগো, অফিস সহকারী, অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, ব্যাংক ও হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্মকর্তা ছাড়াও ডজনখানেক সাংবাদিক রয়েছে। রয়েছে অর্ধশতাধিক দালালচক্র। যার মধ্যে নজরুল নামে এক চেইনম্যানকে গ্রেপ্তার করে দুদক। ওই সময় তার কাছ থেকে ৫৮ লাখ টাকাসহ কয়েকটি চেক উদ্ধার করে দুদক কর্মকর্তারা। আর এই দূর্নীতির মূল হোতা ছিলেন এইচ এম আলী আযম খান। তিনি তখন এলএ শাখার উচ্চমান সহকারী ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, চট্টগ্রামে অন্তত সরকারের ১৩১টি প্রকল্প থেকে ভুমি অধিগ্রহণে হাজার হাজার ভুমির মালিক থেকে ১০-১৫% কমিশনে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এইচ এম আলী আযম খান। যা এখনো চলমান। ভাগবোটায়ারায় তুষ্ট জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেক নজরে ফ্যাসিবাদের দোসর এইচ এম আলী আযম খান পদোন্নতি পেয়ে বসে যান ১০ম গ্রেডে উপ-সহকারী প্রশাসনকি কর্মকর্তা হিসেবেও। এরপর তার দূর্নীতির গতি আরও বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, তার বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি জেলা প্রশাসন। তবে বিষয়টি তদন্ত করতে দূর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি গত এপৃল আনোয়ারায় আলী আযম খানের গ্রামের বাড়ি পরিদর্শন করেন। চট্টগ্রাম মহানগরসহ তার সম্পদের খোঁজে সক্রিয় রয়েছে দুদক টিম। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এইচ এম আলী আযম খান জেলা প্রশাসনে শক্ত সিন্ডিকেট গড়ে তোলেছেন। তার মাথার ওপর আশীর্বাদের হাত রয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের দূর্নীতিবাজ সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইউনুচের। যার মাধ্যমে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এলএ পর্যন্ত পৌছে যায় ভুমি অধিগ্রহণের ভাগ-বাটোয়ারার অর্থ। এর সত্যতা মিলেছে জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তার মুখে। এইচ এম আলী আযম খান সম্পর্কে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, এইচ এম আলী আযম খান তো আপাদমস্তক একজন দূর্নীতিবাজ। জেলা প্রশাসনের এলএ শাখা সম্পূর্ণ তার কথা মতো চলে। তার এখন যে সম্পদ রয়েছে তার কানাকড়িও জেলা প্রশাসনের অনেক এডিসি-ডিসিরও নেই। জেলা প্রশাসনের সংস্থাপন শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুদুর রহিম বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, তার এত সম্পদ কল্পনা করা যায় না। অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইউনুচ তো এইচ এম আলী আযম খানের প্রিয় মানুষ। দু‘জনের বাড়িও এক এলাকায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এইচ এম আলী আযম খান মুঠোফোনে বলেন, আমার কোন জমি ও ভবন নেই। আরেকজনের ভবনের ছবি এনে আমার বললে তো হবে না। আর আমার নিজস্ব কোন গাড়িও নেই। আরেকজনের গাড়িতে চড়ি। গাড়িটি আমার আত্নীয়ের। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ভাই এসব বিষয়ে কথা বলতে আমার ভাল লাগছে না। অন্য বিষয়ে কথা বললে আপনার সাথে আমার বন্ধুত্ব হতে পারে। সমির নামে এক প্রতিবেশিকে এসব অভিযোগের জন্য দায়ী করে তিনি বলেন, তার সাথে জায়গা-জমি নিয়ে আমার ঝামেলা আছে। এ কারণে গত ৭-৮ বছর ধরে সে এসব করছে। এ কারণে তাকে আমি থানায়ও দিয়েছি। জেলও খেটেছে। এসব কাজ আর না করার জন্য মুচলেকাও দিয়েছে। এরপর কিছুদিন সে নিরব ছিল, এখন আবার শুরু করেছে। অন্য আরেক প্রশ্ন করা হলে এইচ এম আলী আযম খান বলেন, ভাই এখন আমি ব্যস্ত আছি, আপনার সাথে পরে কথা বলব বলে নিজেই ফোনের সংযোগ কেটে দেন তিনি। কিন্তু পরে তিনি আর কোন ফোনকল রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভুমি অধিগ্রহণ শাখার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কামরুজ্জামানের মুঠোফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। ব্যস্ততা দেখিয়ে তিনি একটি টেক্সট মেসেজে জানান, তিনি নিজেই ফোন করে কথা বলবেন। কিন্তু তিনি ফোন আর করেননি। ফলে কথা বলতে রবিবার দুপুরে দপ্তরে গেলেও তিনি ছিলেন না। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত না। এমন কোন অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। আমি আসার পর কোন অভিযোগ থাকলে বলেন। বিষয়টির খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। (দ্বিতীয় পর্ব আসছে শীঘ্রই)

    ১৪ দিন আগে
    চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    এনইসির সম্মেলন কক্ষে ৯৮ ইঞ্চি নতুন টেলিভিশন!

    পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে বসানো হয়েছে নতুন ৯৮ ইঞ্চির টেলিভিশন! যার দাম সাত লাখ টাকা। একনেকের বৈঠকে এলে প্রধানমন্ত্রী যেন টেলিভিশনটি চোখে পড়ে এটাই ছিল উদ্দেশ্য। আর সুদূর চীন দেশ থেকে এই টেলিভিশন উড়িয়ে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এনইসি সম্মেলন কক্ষে দেখা যায় টেলিশিনটি। এটি কক্ষের প্রবেশ পথের বাম দিকের দেয়ালে লাগানো হয়েছে। একনেক বৈঠকে সভাপতিত্ব করার সময় যেটি প্রধানমন্ত্রীর চোখেও পড়ার কথা নয়। কিন্তু গত ৬ এপৃল তিনি পরিকল্পনা কমিশনে একনেক সভায় যোগ দেবেন। তাই তড়িঘড়ি করে টেলিভিশনটি বদলানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। সূত্রমতে, ঢাকার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একটি টেলিভিশন আগেই ছিল। যেটি পরিকল্পনা বিভাগের নাজিয়া-সালমা সম্মেলন কক্ষ থেকে এনে লাগানো হয়েছিল। সেটি দিয়েই কাজ চলছিল। কোনো কারণে টেলিভিশনটির এক কোনা ভেঙে যায়। আর ব্যস, তাতেই অজুহাত মিলে গেল টেলিভিশন কেনার। বসানো হলো চকচকে নতুন টেলিভিশন। কোনাভাঙা টেলিভিশন যেন প্রধানমন্ত্রীর চোখে পড়াও নিষেধ। তাই পুরনো সেই টেলিভিশনটি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে নাজিয়া-সালমা সম্মেলন কক্ষে। জানা গেছে, সাত লাখ টাকার এই টেলিভিশন কিনতে করা হয়েছিল নিড অ্যাসেসমেন্ট কমিটি ও ক্রয় কমিটি। এমনকি বোকাবাক্সটি বুঝে নিতেও নাকি করা হয়েছিল একটি কমিটি। এসব কমিটির পেছনে ব্যয় সম্পর্কে এখনো তেমন কিছু জানা যায়নি। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) গোলাম মোছাদ্দেক বললেন, ‘আমরা সব ধরনের নিয়ম মেনে ইজিপিতে টেন্ডারের মাধ্যমে সরকারি সংস্থা টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) থেকে এটা কিনেছি। প্রায় সাত লাখ টাকা দাম পড়েছে। দুই দফায় দাম কমিয়ে বাজার যাচাই করে তার পরই কেনা হয়েছে।’চলমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সরকার যেখানে সবদিকে ব্যয় সাশ্রয়ের পথে হাঁটছে, সেখানে এমন বিলাসী কেনাকাটার কেন প্রয়োজন পড়ল, সে প্রশ্ন রাখি তার কাছে। জবাবে তিনিই জানালেন, টেলিভিশন কেনার জন্য কমিটি করা হয়েছিল। কমিটির সদস্যরাই নিরীক্ষা করে জানিয়েছেন যে কেনা প্রয়োজন।এই অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সদস্যদের নাম জানতে চাইলে তিনি বললেন, পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট ও এসডিপি প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. তমিজ উদ্দিন আহমেদ এবং মেইনটেন্যান্স শাখার রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী মো. মইনুল হাসান।তবে নিড অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে যাদের নাম বলা হলো তারা অবশ্য জানালেন ভিন্ন কথা। বললেন, এ বিষয়ে নাকি তারা কিছুই জানেন না। তমিজ উদ্দিন আহমেদ বললেন, ‘আমি কোনো কমিটির সদস্য নই। এমনকি টিভি কেনার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। মইনুল হাসান জানতে পারেন।অবশ্য কিছু নাকি জানেন না মইনুল হাসানও। তার দাবি, কত টাকায় টিভি কেনা হয়েছে, তা জানাতে পারবেন গোলাম মোছাদ্দেক। নানা হাত ঘুরে জানা গেল কেনাকাটার দায়িত্ব পালন করেছেন প্রশাসন বিভাগের সাধারণ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস। তার কাছে সাত লাখ টাকা কম, কারণ এর আগে নাকি আরও বেশি দামে টিভি কেনা হতো।রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘আগে যারা এমন টিভি কিনেছিলেন সেগুলো ১৪ লাখ টাকা দাম ছিল। আমরা তো প্রায় সাত লাখ টাকায় কিনেছি। এজন্য কোনো কমিশন নেওয়া হয়নি, দুর্নীতি হয়নি এক টাকারও।সরকার যখন নানাভাবে ব্যয় কমানোর কথা বলছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও অতিথিদের আপ্যায়নে কাটছাঁট করা হচ্ছে মাছ-মাংস। সেখানে তার চোখে পড়বে কি পড়বে না— এমন স্থানে লাগানোর জন্য পরিকল্পনা কমিশন কিনছে সাত লাখ টাকার টেলিভিশন।এ বিষয়ে কথা হয় পরিকল্পনা বিভাগের সাবেক সচিব মামুন-আল-রশীদের সঙ্গে। বৈশ্বিক এ পরিস্থিতিতে এমন বিলাসী ব্যয় মোটেও উচিত হয়নি বলে মত তার। তিনি বলেন, কর্মকর্তাদের টিভি কেনার আগ্রহের পেছনে কমিশন বাণিজ্য বা অন্য কোনো লাভ থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। যাতে সামনের দিনে এ ধরনের বাহুল্য ব্যয় বন্ধ করা যায়।

    ১৬ দিন আগে
    এনইসির সম্মেলন কক্ষে ৯৮ ইঞ্চি নতুন টেলিভিশন!

    চসিকের সাবেক মেয়র রেজাউল করিমের অনিয়ম তদন্তে দুদক

    চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর অনিয়ম তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর সহকারী পরিচালক সম্প্রতি মো. রাজু আহমেদ এ বিষয়ে চিঠি দেন বর্তমান মেয়র শাহাদাত হোসেনকে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাবেক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলে শ্রমিক, কর আদায়কারী, অফিস সহায়ক, সড়ক তদারককারী, সুপারভাইজার ও সড়ক পরিদর্শকসহ বিভিন্ন পদে বিপুল জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়। বিশেষ করে তার মেয়াদের শেষ দুই বছরে অন্তত ১৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যা এখন আলোচনার কেন্দ্রে। এ পরিপ্রেক্ষিতে দুদক এসব নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, আবেদনপত্র, নিয়োগ পরীক্ষার রেকর্ড এবং নিয়োগপত্রসহ সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নথি চেয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই চাকরির ব্যবস্থা করেছেন এবং পরে তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পদায়ন করা হয়। শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ দিয়েই একলাফে উচ্চ গ্রেডের পদে পদায়ন করা হয়েছে অন্তত ৬৪ জনকে, যা নিয়ে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন। চসিকের জনবল কাঠামো অনুযায়ী, শ্রমিক পদ ২০তম গ্রেডের হলেও, সেখান থেকে সরাসরি ১০ম গ্রেডের উপসহকারী প্রকৌশলী, ১৬তম গ্রেডের কর আদায়কারী বা অনুমতিপত্র পরিদর্শক পদে পদায়ন করা হয়েছে।এছাড়া রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালককে মারধরের ঘটনাও ঘটে, যা তখন বেশ আলোচিত হয়। কাজের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২৩ সালের ২৯ জানুয়ারি প্রকৌশলী মো. গোলাম ইয়াজদানী ঠিকাদারদের হামলার শিকার হন।সাবেক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর মেয়াদকালে নগরের চারটি ওয়ার্ডে বাসাবাড়ি ও দোকান-অফিস থেকে সরাসরি বর্জ্য সংগ্রহ (ডোর-টু-ডোর) কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করে সিটি করপোরেশন। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—মেসার্স পাওয়ার সোর্স, ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রাইভেট সার্ভিস ও চান্দগাঁও ক্লিনার্স সার্ভিস। এসব প্রতিষ্ঠান তৎকালীন মেয়র ও এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠদের মালিকানাধীন ছিল বলেও বিতর্ক তৈরি হয়। এ ঘটনায় সাবেক মেয়রের ব্যক্তিগত নথি, তার দায়িত্বকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র, ২৫টি উন্নয়ন প্রকল্পে কার্যাদেশ প্রদানের দলিল এবং বর্জ্য সংগ্রহের চুক্তিপত্রসহ সব প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ তলব করেছে দুদক। সাত কর্মদিবসের মধ্যে এসব নথি জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিটি কর্পোরেশনকে।চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বর্তমান মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    ১৬ দিন আগে
    চসিকের সাবেক মেয়র রেজাউল করিমের অনিয়ম তদন্তে দুদক

    চসিকের গরুর বাজার নিয়ে টেন্ডার-রিটেন্ডার খেলা!

    বৈশাখ শুরু। ফলে প্রতিবছরের মতো কোরবানির আগের চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) আওতাধিন গরুর বাজারগুলো টেন্ডার দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আর প্রতিবছরের মতোই এবছরও গরুবাজার নিয়ে চলছে টেন্ডার-টেন্ডার খেলা। অবশেষে শুরু হাট কালেকশনের নামে লুটপাটের প্ল্যান। এমন অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতিবারের মতো এবারও তিন দফা টেন্ডার আহ্বান করেও চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে বড় পশুর বাজার সাগরিকা গরুর বাজারের ইজারা সম্পন্ন করা হয়নি। গত বছরের মতো হাট কালেকশনের পথে চলছে সাগরিকা গরুর বাজারটি। গতবারও এই পথে হেঁটে ২ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব কম আয় হয়েছে চসিকের। যা মূলত হয়েছে লুটপাট। ঠিক এবারও সাগরিকা গরুর বাজার নিয়ে টেন্ডার-টেন্ডার খেলায় হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, নিয়মানুযায়ী চসিকের নিয়ন্ত্রণাধীন চারটি হাট এবং ঘাট পহেলা বৈশাখ থেকে ৩০ চৈত্র সময়ের জন্য ইজারা দেয়া হয়। প্রতিবছর পহেলা বৈশাখ থেকে যাতে ঠিকাদার কার্যক্রম শুরু করতে পারেন সেভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এবছরও সেভাবে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। গত ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে গরুর বাজার ইজারা দেয়ার টেন্ডার আহ্বান করা হয়। কিন্তু টেন্ডারে কেউ অংশগ্রহণ করেননি। পরবর্তীতে মার্চ মাসে আহ্বান করা হয় দ্বিতীয় দফা টেন্ডার। তাতে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। ফলে ওই টেন্ডার বাতিল করা হয়। গত ১ এপৃল পুনরায় তৃতীয়দফা টেন্ডার আহ্বান করা হয়। এতে পাঁচটি দরপত্র বিক্রি হয়। এর মধ্যে টেন্ডার জমা পড়ে তিনটি। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতা জনৈক ইরফান সরওয়ারী খাঁন সরকারের ভ্যাট ট্যাক্সসহ ৮ কোটি ৮৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দর উল্লেখ করে। দ্বিতীয় দরদাতা ফজলে আলিম চৌধুরী (মীরা মেরিন) ভ্যাট ট্যাক্সসহ ৮ কোটি ১৪ লাখ ৭২ হাজার ২৩৩ টাকা এবং তৃতীয় দরদাতা সাজ্জাদ হোসাইন ভ্যাট ট্যাক্সসহ ৭ কোটি ১৯ লাখ ৪৪ হাজার ৩৭৫ টাকা দর উল্লেখ করেন। কিন্তু প্রত্যাশীত দরের অজুহাতে এই টেন্ডারও বাতিল করা হয়। ইতোমধ্যে বছর শুরু হওয়ায় গত পহেলা বৈশাখ থেকে বিশাল এই গরু বাজারের ইজারা আবারো হাট কালেকশনে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে নতুন করে চতুর্থ দফা টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যা প্রহসন বলে মনে করছেন ইজারাদাররা। ইজারাদারদের ভাষ্য, হাট কালেকশনের নামে লাখ লাখ টাকা নয় ছয় করার সুযোগ তৈরির জন্যই ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে না। এতে সরকার দেড় কোটি টাকারও বেশি নিশ্চিত ভ্যাট ও ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত হবে। সরকারের এই রাজস্ব লুটে খাবে হাট কালেকশনের দায়িত্ব পাওয়া ব্যক্তি ও চসিকের সংশ্লিষ্ট রাজস্ব কর্মকর্তারা। ইজারাদাররা গতবছরের বিষয়টিকে উদাহরণ হিসেবে সামনে এনে বলেন, গতবছর একাধিক টেন্ডারে পর সর্বোচ্চ সাগরিকা গরুর বাজারের দর উঠেছিল ৭ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সেই টেন্ডার সম্পন্ন না করে হাট কালেকশনের নামে প্রথম চার মাসের জন্য দেয়া হয় ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকায়। পরে দুই মাসের জন্য দেয়া হয় ২১ লাখ টাকায় এবং পরবর্তীতে আবার ৬ মাসের জন্য দেয়া হয় ৯৯ লাখ টাকায়।টেন্ডারে সাড়ে সাত কোটিরও বেশি টাকায় বাজার ইজারা দেয়া না হলেও হাট কালেকশনে পাওয়া যায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার কম। এর মধ্যে হাট কালেকশনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি ৫৫ লাখ টাকা আটকে রেখেছেন। পুনরায় উক্ত ব্যক্তিকে হাট কালেকশনের দায়িত্ব দেয়ায় সংশ্লিষ্টদের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে তৃতীয় দফা টেন্ডারের পর বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে সিদ্ধান্ত চাওয়ার নিয়ম থাকলেও এক্ষেত্রে অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে বলা হয়েছে যে, ইতোমধ্যে চতুর্থ দফা টেন্ডার আহ্বানের প্রক্রিয়া চলমান রেখেছে চসিকের রাজস্ব বিভাগ। জানা গেছে, চসিকের রাজস্ব বিভাগে কর্মরত রতি-মহারতি কর্মকর্তাদের সঙ্গে হাট কলেকশনের দায়িত্ব দেওয়ার ব্যক্তির দহরম-মহরম সম্পর্ক রয়েছে। ফলে নানা কুটকৌশলে অত্যন্ত গোপনীয়তার সহিত ভাগবাটোয়ারা চলে। এক্ষেত্রে কোটি টাকার হিসেব-নিকেশ হয়। টেন্ডারে অংশ নেয়া বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিষয়টিতে দৃষ্টিপাত করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা সিটি মেয়রের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে । বিষয়টি নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগের একাধিক কর্মকর্তাকে ফোন করা হলেও তারা ফোন ধরেননি। একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তিন দফা টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। কিন্তু প্রথম দফায় কেউ টেন্ডার নেননি, দ্বিতীয় দফায় মাত্র একজন এসেছিলেন। তৃতীয় দফায় তিনজন দরপত্র দাখিল করলেও প্রত্যাশিত দর পাওয়া যায়নি। তাই হাট কালেকশনের উদ্যোগ নিতে হয়েছে। হাট কালেকশন টেন্ডারে উল্লেখিত দরের চেয়ে বেশি না কম-এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারবেন না বলে জানান। এ বিষয়ে কথা বলতে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনিও কোনরকম সাড়া দেননি।

    ১৮ দিন আগে
    চসিকের গরুর বাজার নিয়ে টেন্ডার-রিটেন্ডার খেলা!

    রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল গিলে খাচ্ছে আ‘লীগ নেতা রিপন

    ১৯ দিন আগে
    রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল গিলে খাচ্ছে আ‘লীগ নেতা রিপন
    বিজ্ঞাপন — 300 × 250

    এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়

    শপথ নিলেন কে.সি.দে ইনস্টিটিউট এর নির্বাচিত কমিটি

    শপথ নিলেন কে.সি.দে ইনস্টিটিউট এর নির্বাচিত কমিটি

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

    চসিকের কোরবানির পশুর হাট নয়টি, টেন্ডার আহ্বান তিনটির!

    চসিকের কোরবানির পশুর হাট নয়টি, টেন্ডার আহ্বান তিনটির!

    ইজারার চেয়ে খাস কালেকশনে আগ্রহী চসিক!

    ইজারার চেয়ে খাস কালেকশনে আগ্রহী চসিক!

    ইরানে নিজের ফাঁদেই আটকা ট্রাম্প, খুঁজছেন বেরোনোর পথ

    ইরানে নিজের ফাঁদেই আটকা ট্রাম্প, খুঁজছেন বেরোনোর পথ

    পদ্মা ব্যাংকের পেটে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৮০ কোটি টাকা!

    পদ্মা ব্যাংকের পেটে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৮০ কোটি টাকা!

    মন্ত্রিসভায় রদবদল ও আকার বাড়ছে, আসছে নতুন মুখ

    মন্ত্রিসভায় রদবদল ও আকার বাড়ছে, আসছে নতুন মুখ

    ফিলিস্তিনির লাশ কবর থেকে সরাতে বাধ্য করল ইসরাইল

    ফিলিস্তিনির লাশ কবর থেকে সরাতে বাধ্য করল ইসরাইল

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারাল কিশোরগঞ্জের রিয়াদ

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারাল কিশোরগঞ্জের রিয়াদ

    চট্টগ্রামে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বিরল মশাবাহিত ভাইরাস

    চট্টগ্রামে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বিরল মশাবাহিত ভাইরাস

    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    বিজ্ঞাপন — 970 × 90