Dainik Ishan
প্রকাশক: কামাল উদ্দিন
সম্পাদক: খ. ম. ইব্রাহিম
গোপনীয়তার নীতি|আমাদের সম্পর্কে|আর্কাইভ

যোগাযোগ

সম্পাদকীয় কার্যালয় : নুরভবন, শাহ আমানত সড়ক, চট্টগ্রাম।

ফোন : ০৯৬৯৭৫১০০২৪, ০১৫৩২৭৬৪৪০৪।

ইমেইল: dainikishan@gmail.com

প্রয়োজনীয় লিংক

  • Facebookফেসবুক পেজ
  • Xএক্স (টুইটার)
  • LinkedInলিংকডইন
  • @থ্রেডস
  • Messengerমেসেঞ্জার
  • WhatsAppহোয়াটসঅ্যাপ
  • Instagramইনস্টাগ্রাম
  • Telegramটেলিগ্রাম
  • YouTubeইউটিউব চ্যানেল
  • টিকটক

কিউআর কোড

QR Code
Copyright©DainikIshan`2023 । সতর্কতা-কপিরাইট অ্যাক্ট অনুসরণ করুন...
Developed by Dainik Ishan IT Team
বেচা-কেনা.com
ই-পেপার
প্রেস রিলিজ
ফেসবুক পেজসমূহ
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
  • দৈনিক ঈশান | Dainik Ishan
  • Dainik Ishan | দৈনিক ঈশান
Dainik Ishan
XLinkedIn@MessengerWhatsAppInstagramTelegramYouTube
    বিজ্ঞাপন — 970 × 90

    আপনার এলাকার খবর

    সরকারি সংস্থা

    পাথরের বদলে গুলি, নাকি তাও মিথ্যা

    পাথরের বদলে গুলি, নাকি তাও মিথ্যা

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

    রাবিপ্রবির অশান্তির মুলে পিডি গফুর, ভিসি কার্যালয়ে তালা

    রাবিপ্রবির অশান্তির মুলে পিডি গফুর, ভিসি কার্যালয়ে তালা

    বুকসমান পানিতে ডুবলো চট্টগ্রাম

    চার ঘন্টার বজ্র বৃষ্টিতে বুকসমান পানিতে ডুবে গেছে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার সড়ক। ফলে যানবাহন ঠাঁই নিয়েছে ফ্লাওভারে। এতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ে নগরবাসী। দুর্ভোগে পড়ে এসএসসি পরীক্ষায় থাকা পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।মঙ্গলবার (২৮ এপৃল) বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে পানি জমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ১১টার দিকে বৃষ্টি কম থাকলেও সাড়ে ১২টার দিকে আবার ভারী বৃষ্টি হয়; যা দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। নগরীর আমবাগান আবহাওয়া অফিসের অফিসার ইনচার্জ বিজন রায় বলেন, সকাল নয়টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। তিন ঘণ্টা পরপর বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হিসাব করা হয়। পরবর্তী অবজারভেশনে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ জানা যাবে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বৃষ্টিতে ডুবে যাওয়া এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রবর্তক মোড়, মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ, রহমতগঞ্জ, চকবাজার, আগ্রাবাদ, রাহাত্তারপুলসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো। অনেক এলাকায় ড্রেন উপচে পানি সড়ক ও বাসাবাড়িতে ঢুকে পড়েছে।নিচু এলাকাগুলোতে পানি বুকসমান হওয়ায় নগরীর যানবাহনগুলো ঠাঁই নেয় শহরজুড়ে বিস্তৃত সবকটি ফ্লাইওভারে। ডুবে গিয়ে অনেক যানবাহন মাঝপথে বিকল হয়ে পড়ে। দুর্ভোগে পড়েছে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী মানুষেরা।নগরবাসী জানান, বেলা আড়াইটায় নগরীর প্রবর্তক ও মুরাদপুর এলাকার সড়কগুলোতে গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে। সেখানে কোমর থেকে বুক পর্যন্ত পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে নগরীর রহমতগঞ্জ, কাতালগঞ্জ, রাহাত্তারপুল, আগ্রাবাদ এলাকার সড়কে হাঁটু সমান পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব সড়কে যানচলাচল একেবারেই কম। ফলে ভোগান্তি পড়েছে নগরবাসী।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই পানি জমে দ্রুত পরিস্থিতি খারাপ হয়ে পড়ে। পানি নামতে দেরি হওয়ায় ভোগান্তি বাড়ছে। সাদিয়া জাহান নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী বলেন, আজ ইংরেজি ২য় পত্রের পরীক্ষা ছিল। হল থেকে বের হয়ে গাড়ি না পেয়ে হেঁটে হেঁটে মুরাদপুর আসলাম। এখানে তো হেঁটে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি নাই। কোমর পর্যন্ত ময়লা পানি।নগরীর রাহাত্তারপুল এলাকার বাসিন্দা মমিনুল হক বলেন, চট্টগ্রামে সাধারণত এমন পানি দেখা যেত টানা তিন-চারদিন বৃষ্টি হলে। এখন দেখছি ১ ঘণ্টার বৃষ্টিতে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা হচ্ছে। মুরাদপুরে জলাবদ্ধতায় আটকে পড়া উন্নয়নকর্মী তোফায়েলুর রহমান বলেন, যারা বৃষ্টি এবং সমুদ্রকে ভালোবাসেন, তারা চট্টগ্রামের মুরাদপুর চলে আসেন। এত পানি সমুদ্র না সড়ক বুঝার উপায় নেই।স্থানীয় বাসিন্দা আলাউদ্দিন দুলালের ভাষ্য, প্রবর্তক মোড়ের অদূরে বদনা শাহ মাজারের সামনের সড়কে জমে থাকা পানিতে আটকা পড়ে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। বেশ কয়েকটি গাড়ি বিকল হয়ে সড়কের ওপরই পড়ে থাকতে দেখা গেছে। অনেককে কোমরসমান, কোথাও কোথাও গলাসমান পানি পেরিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। পানির কারণে অনেকে বাধ্য হয়ে রোড ডিভাইডারের ওপর দিয়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।এ সড়কের পাশেই রয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ফলে রোগী, স্বজন এবং জরুরি সেবাগ্রহীতাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। প্রবর্তক মোড়ের হিজড়া খালের কালভার্ট এলাকায় মাটি ফেলে সংস্কারকাজ চলছে। যন্ত্রপাতিও রাখা হয়েছে সড়কের পাশে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চলমান উন্নয়নকাজের কারণে পানি চলাচল ব্যাহত হয়ে জলাবদ্ধতা আরও তীব্র হয়েছে। নগরবাসীর মতে, আসন্ন বর্ষা সামনে রেখে গত সপ্তাহ থেকে মাসব্যাপী নালা-খাল পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। এর অংশ হিসেবে নগরের বিভিন্ন খাল ও নালা পরিষ্কারে তদারকি করছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।মঙ্গলবার বিকেলে পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহদাত হোসেন বলেন, নগরের নালা-নর্দমা ময়লার স্তুপে পরিণত হওয়াই জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ। তিনি বলেন, কিছু অসচেতন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দার কারণে নালাগুলো বর্জ্য ফেলার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। জনগণ সচেতন না হলে কোনো উদ্যোগই দীর্ঘমেয়াদে সফল হবে না।নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান মেগা প্রকল্পের আওতায় ৩৬টি খাল সংস্কারের কাজ করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। তবে হিজড়া খাল ও জামালখান খালের সংস্কারকাজ এখনো চলমান রয়েছে।চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দীন আহমেদ চৌধুরী জানান, প্রবর্তক এলাকার পাশে সিডিএর উন্নয়নকাজের কারণে সাময়িকভাবে পানি চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

    ১২ দিন আগে
    বুকসমান পানিতে ডুবলো চট্টগ্রাম

    চালুর আগেই জংয়ে গিলছে আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথ!

    চালুর আগেই জংয়ে গিলে খাচ্ছে আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথ। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নির্মিত এই রেলপথ উদ্বোধন করা হয় প্রায় আড়াই বছর আগে। কিন্তু রেলপথটি এখনো কার্যত অচল । এতে প্রকল্পটির কার্যকারিতা ও বাস্তব সুফল নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।মঙ্গলবার (২৮ এপৃল) এমন মন্তব্য করেছেন আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক রাজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, এই রেলপথে একাধিকবার পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল (ট্রায়াল রান) সম্পন্ন হলেও প্রশাসনিক দুদেশের কুটনৈতিক টানাপড়েনসহ সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে শুরু হয়নি বাণিজ্য কার্যক্রম। কবে নাহাদ ট্রেন চলাচল শুরু হবে বা বাণিজ্য চালু হবে— সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেই। ফলে পুরো প্রকল্পটি কার্যত ‘অলস অবকাঠামো’ হিসেবেই পড়ে আছে।আর নিম্নমানের লোহার যন্ত্রাংশ দিয়ে এই রেলপথ তৈরি করায় ধরেছে জং। নেই কোন সংরক্ষন ও তদারকি। এতে প্রকল্পটি খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলে জানান রাজীব ভুঁইয়া। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, ‘ভারতের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত। এই রেলপথ চালু হলে তারা নিজেদের রাজ্য থেকেই কম খরচে পণ্য আনতে পারবে। এতে করে আশঙ্কা রয়েছে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি কমে যাওয়ার।’তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে সীমিত পরিসরে রড, সিমেন্ট ও পাথর রপ্তানি হয়, যা মূলত ত্রিপুরার বাজারে যায়। কারণ, ভারতের অন্য রাজ্য থেকে এসব পণ্য আনতে খরচ বেশি পড়ে। কিন্তু নতুন রেলপথ চালু হলে সেই নির্ভরশীলতা কমে যেতে পারে বলে মনে করছেন এই ব্যবসায়ী।আখাউড়া স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হাসিবুল হাসান মনে করেন, রপ্তানি বাড়ার সম্ভাবনা সীমিত হলেও সুযোগ রয়েছে আমদানি বাড়ার। ‘সব ধরনের পণ্য আমদানির সুযোগ দিলে ব্যবসায়ীরা কম খরচে রেলপথে পণ্য আনতে পারবে। এতে সরকারের রাজস্ব বাড়বে বলে জানান তিনি।কবে এই আন্তঃদেশীয় ট্রেন চালু হবে— এই প্রশ্নে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়ার জবাব, ‘কখন ট্রেন চলবে, সেটা পুরোপুরি সরকারি সিদ্ধান্ত। এখন পর্যন্ত আমার কাছে এ ব্যাপারে কোনো তথ্য নেই। উদ্বোধনের প্রায় আড়াই বছর পরেও ট্রেন চলাচলে না থাকা, বাণিজ্য শুরু না হওয়ায় আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ এখন অনিশ্চয়তার প্রতীক। কবে এটি চালু হবে, কতটা বাণিজ্যিক সুবিধা পাওয়া যাবে এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর প্রকৃত প্রভাব কী হবে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনো অজানা।রেলওয়ের তথ্যমতে, বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার নিশ্চিন্তপুর পর্যন্ত ১২ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথ। এর মধ্যে বাংলাদেশ অংশে রয়েছে ৬ দশমিক ৭৮ কিলোমিটার। প্রায় ২৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ অংশের কাজ বাস্তবায়ন করে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেক্সমেকো রেল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড।২০১৮ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটি দেড় বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারীসহ নানা জটিলতায় কাজ শেষ করতে সময় লেগেছে ছয় বছরেরও বেশি। শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যৌথভাবে রেলপথটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।উদ্বোধনের আগেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই রুট দিয়ে আমদানি-রপ্তানির অনুমতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। ভারত থেকে অর্ধশতাধিক পণ্য আমদানির পাশাপাশি রপ্তানিযোগ্য সব ধরনের পণ্য রপ্তানির সুযোগ দেওয়া হয়। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এর জন্য নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ভবন, প্ল্যাটফর্ম এবং সংযোগ সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর।এরপর একাধিকবার পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল (ট্রায়াল রান) সম্পন্ন হলেও প্রশাসনিক দুদেশের কুটনৈতিক টানাপড়েনসহ সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে শুরু হয়নি বাণিজ্য কার্যক্রম। কবে নাহাদ ট্রেন চলাচল শুরু হবে বা বাণিজ্য চালু হবে— সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেই। ফলে পুরো প্রকল্পটি কার্যত ‘অলস অবকাঠামো’ হিসেবেই পড়ে আছে।প্রকল্পটির অর্থনৈতিক সুফল নিয়ে শুরু থেকেই আশাবাদী ছিল তৎকালীন আওয়ামী সরকার। কিন্তু মাঠপর্যায়ের অনেক ব্যবসায়ী বলছেন ভিন্ন কথা। এই রেলপথ বাস্তবে ভারতের বাণিজ্যিক সুবিধাই বেশি নিশ্চিত করবে বলেই তাদের মত।বিশ্লেষকদের মতে, এই রেলপথের অন্যতম কৌশলগত গুরুত্ব হলো ভারতের ‘শিলিগুড়ি করিডর’ বা চিকেনস নেক নির্ভরতা কমিয়ে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন। ফলে ভারতের জন্য এটি একটি বড় লজিস্টিক সম্ভাবনা। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে— এতে বাংলাদেশের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুবিধা কতটুকু মিলবে?

    ১২ দিন আগে
    চালুর আগেই জংয়ে গিলছে আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথ!

    জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসী মনা হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার,

    চট্টগ্রাম মহানগরীর জঙ্গল সলিমপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ওসমান গণি ওরফে মনা (৩৫) কে হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও থানা পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।রবিবার (২৬ এপৃল) বিকাল ৩টার দিকে জেলা ড়োয়েন্দা শাখা ও থানা পুলিশের একটি যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে হাটহাজারী উপজেলার চিকনদন্ডী ইউনিয়নের একটি পাঁচতলা ভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে হাটহাজারী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। সোমবার (২৭ এপৃল) বিকেলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, ওসমান গণি ওরফে মনা চট্টগ্রাম মহানগরের জঙ্গল সলিমুপর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল (ম্যাগাজিনসহ), তিনটি একনলা শর্টগান, ১১ রাউন্ড পিস্তলের তাজা গুলি, রাইফেলের গুলি, ১৭ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ, একটি চাপাতি, সুইচ গিয়ার চাকু, নগদ ৫১ হাজার টাকা এবং একাধিক মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনা অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেওয়া এবং অস্ত্র সংগ্রহ করে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়েও তথ্য দিয়েছেন তিনি।তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক আরও দুই আসামি হৃদয় (৩০) ও রাজু (৩২)-এর সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়। গ্রেপ্তারকৃত ওসমান গণি প্রকাশ মনার বিরুদ্ধে হাটহাজারী মডেল থানায় অস্ত্র আইন ১৮৭৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং সিডিএমএস পর্যালোচনায় তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদক ও অস্ত্রসহ ১৮ টি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।হাটহজারী মডেল থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    ১৩ দিন আগে
    জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসী মনা হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার,

    চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    ১৪ দিন আগে
    চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আযম কি আরেক জাবেদ আলী?

    এনইসির সম্মেলন কক্ষে ৯৮ ইঞ্চি নতুন টেলিভিশন!

    পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে বসানো হয়েছে নতুন ৯৮ ইঞ্চির টেলিভিশন! যার দাম সাত লাখ টাকা। একনেকের বৈঠকে এলে প্রধানমন্ত্রী যেন টেলিভিশনটি চোখে পড়ে এটাই ছিল উদ্দেশ্য। আর সুদূর চীন দেশ থেকে এই টেলিভিশন উড়িয়ে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এনইসি সম্মেলন কক্ষে দেখা যায় টেলিশিনটি। এটি কক্ষের প্রবেশ পথের বাম দিকের দেয়ালে লাগানো হয়েছে। একনেক বৈঠকে সভাপতিত্ব করার সময় যেটি প্রধানমন্ত্রীর চোখেও পড়ার কথা নয়। কিন্তু গত ৬ এপৃল তিনি পরিকল্পনা কমিশনে একনেক সভায় যোগ দেবেন। তাই তড়িঘড়ি করে টেলিভিশনটি বদলানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। সূত্রমতে, ঢাকার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একটি টেলিভিশন আগেই ছিল। যেটি পরিকল্পনা বিভাগের নাজিয়া-সালমা সম্মেলন কক্ষ থেকে এনে লাগানো হয়েছিল। সেটি দিয়েই কাজ চলছিল। কোনো কারণে টেলিভিশনটির এক কোনা ভেঙে যায়। আর ব্যস, তাতেই অজুহাত মিলে গেল টেলিভিশন কেনার। বসানো হলো চকচকে নতুন টেলিভিশন। কোনাভাঙা টেলিভিশন যেন প্রধানমন্ত্রীর চোখে পড়াও নিষেধ। তাই পুরনো সেই টেলিভিশনটি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে নাজিয়া-সালমা সম্মেলন কক্ষে। জানা গেছে, সাত লাখ টাকার এই টেলিভিশন কিনতে করা হয়েছিল নিড অ্যাসেসমেন্ট কমিটি ও ক্রয় কমিটি। এমনকি বোকাবাক্সটি বুঝে নিতেও নাকি করা হয়েছিল একটি কমিটি। এসব কমিটির পেছনে ব্যয় সম্পর্কে এখনো তেমন কিছু জানা যায়নি। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) গোলাম মোছাদ্দেক বললেন, ‘আমরা সব ধরনের নিয়ম মেনে ইজিপিতে টেন্ডারের মাধ্যমে সরকারি সংস্থা টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) থেকে এটা কিনেছি। প্রায় সাত লাখ টাকা দাম পড়েছে। দুই দফায় দাম কমিয়ে বাজার যাচাই করে তার পরই কেনা হয়েছে।’চলমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সরকার যেখানে সবদিকে ব্যয় সাশ্রয়ের পথে হাঁটছে, সেখানে এমন বিলাসী কেনাকাটার কেন প্রয়োজন পড়ল, সে প্রশ্ন রাখি তার কাছে। জবাবে তিনিই জানালেন, টেলিভিশন কেনার জন্য কমিটি করা হয়েছিল। কমিটির সদস্যরাই নিরীক্ষা করে জানিয়েছেন যে কেনা প্রয়োজন।এই অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সদস্যদের নাম জানতে চাইলে তিনি বললেন, পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট ও এসডিপি প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. তমিজ উদ্দিন আহমেদ এবং মেইনটেন্যান্স শাখার রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী মো. মইনুল হাসান।তবে নিড অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে যাদের নাম বলা হলো তারা অবশ্য জানালেন ভিন্ন কথা। বললেন, এ বিষয়ে নাকি তারা কিছুই জানেন না। তমিজ উদ্দিন আহমেদ বললেন, ‘আমি কোনো কমিটির সদস্য নই। এমনকি টিভি কেনার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। মইনুল হাসান জানতে পারেন।অবশ্য কিছু নাকি জানেন না মইনুল হাসানও। তার দাবি, কত টাকায় টিভি কেনা হয়েছে, তা জানাতে পারবেন গোলাম মোছাদ্দেক। নানা হাত ঘুরে জানা গেল কেনাকাটার দায়িত্ব পালন করেছেন প্রশাসন বিভাগের সাধারণ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস। তার কাছে সাত লাখ টাকা কম, কারণ এর আগে নাকি আরও বেশি দামে টিভি কেনা হতো।রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘আগে যারা এমন টিভি কিনেছিলেন সেগুলো ১৪ লাখ টাকা দাম ছিল। আমরা তো প্রায় সাত লাখ টাকায় কিনেছি। এজন্য কোনো কমিশন নেওয়া হয়নি, দুর্নীতি হয়নি এক টাকারও।সরকার যখন নানাভাবে ব্যয় কমানোর কথা বলছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও অতিথিদের আপ্যায়নে কাটছাঁট করা হচ্ছে মাছ-মাংস। সেখানে তার চোখে পড়বে কি পড়বে না— এমন স্থানে লাগানোর জন্য পরিকল্পনা কমিশন কিনছে সাত লাখ টাকার টেলিভিশন।এ বিষয়ে কথা হয় পরিকল্পনা বিভাগের সাবেক সচিব মামুন-আল-রশীদের সঙ্গে। বৈশ্বিক এ পরিস্থিতিতে এমন বিলাসী ব্যয় মোটেও উচিত হয়নি বলে মত তার। তিনি বলেন, কর্মকর্তাদের টিভি কেনার আগ্রহের পেছনে কমিশন বাণিজ্য বা অন্য কোনো লাভ থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। যাতে সামনের দিনে এ ধরনের বাহুল্য ব্যয় বন্ধ করা যায়।

    ১৬ দিন আগে
    এনইসির সম্মেলন কক্ষে ৯৮ ইঞ্চি নতুন টেলিভিশন!

    চসিকের সাবেক মেয়র রেজাউল করিমের অনিয়ম তদন্তে দুদক

    চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর অনিয়ম তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর সহকারী পরিচালক সম্প্রতি মো. রাজু আহমেদ এ বিষয়ে চিঠি দেন বর্তমান মেয়র শাহাদাত হোসেনকে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাবেক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলে শ্রমিক, কর আদায়কারী, অফিস সহায়ক, সড়ক তদারককারী, সুপারভাইজার ও সড়ক পরিদর্শকসহ বিভিন্ন পদে বিপুল জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়। বিশেষ করে তার মেয়াদের শেষ দুই বছরে অন্তত ১৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যা এখন আলোচনার কেন্দ্রে। এ পরিপ্রেক্ষিতে দুদক এসব নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, আবেদনপত্র, নিয়োগ পরীক্ষার রেকর্ড এবং নিয়োগপত্রসহ সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নথি চেয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই চাকরির ব্যবস্থা করেছেন এবং পরে তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পদায়ন করা হয়। শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ দিয়েই একলাফে উচ্চ গ্রেডের পদে পদায়ন করা হয়েছে অন্তত ৬৪ জনকে, যা নিয়ে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন। চসিকের জনবল কাঠামো অনুযায়ী, শ্রমিক পদ ২০তম গ্রেডের হলেও, সেখান থেকে সরাসরি ১০ম গ্রেডের উপসহকারী প্রকৌশলী, ১৬তম গ্রেডের কর আদায়কারী বা অনুমতিপত্র পরিদর্শক পদে পদায়ন করা হয়েছে।এছাড়া রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালককে মারধরের ঘটনাও ঘটে, যা তখন বেশ আলোচিত হয়। কাজের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২৩ সালের ২৯ জানুয়ারি প্রকৌশলী মো. গোলাম ইয়াজদানী ঠিকাদারদের হামলার শিকার হন।সাবেক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর মেয়াদকালে নগরের চারটি ওয়ার্ডে বাসাবাড়ি ও দোকান-অফিস থেকে সরাসরি বর্জ্য সংগ্রহ (ডোর-টু-ডোর) কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করে সিটি করপোরেশন। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—মেসার্স পাওয়ার সোর্স, ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রাইভেট সার্ভিস ও চান্দগাঁও ক্লিনার্স সার্ভিস। এসব প্রতিষ্ঠান তৎকালীন মেয়র ও এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠদের মালিকানাধীন ছিল বলেও বিতর্ক তৈরি হয়। এ ঘটনায় সাবেক মেয়রের ব্যক্তিগত নথি, তার দায়িত্বকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র, ২৫টি উন্নয়ন প্রকল্পে কার্যাদেশ প্রদানের দলিল এবং বর্জ্য সংগ্রহের চুক্তিপত্রসহ সব প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ তলব করেছে দুদক। সাত কর্মদিবসের মধ্যে এসব নথি জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিটি কর্পোরেশনকে।চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বর্তমান মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    ১৬ দিন আগে
    চসিকের সাবেক মেয়র রেজাউল করিমের অনিয়ম তদন্তে দুদক

    চট্টগ্রাম ওয়াসার পাইপলাইন স্থাপনের সময় চার শ্রমিক হতাহত

    চট্টগ্রাম ওয়াসার পাইপলাইন স্থাপনের কাজ করার সময় মাটি ধসে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২ শ্রমিক। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপৃল) দিনগত রাত তিনটার সময় চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর এক্সেস রোড এলাকায় ভয়াবহ এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, রাকিব (২৫) ও তুষার (২২)। তাদের বাড়ি দিনাজপুর জেলায়। আহতদের মধ্যে এরশাদের (২২) বাড়ি চট্টগ্রাম ও সাগরের (২৬) বাড়ি অজ্ঞাত। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথভাবে নিশ্চিত না করায় হতাহতের এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।বৃহস্পতিবার (২৩ এপৃল) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চমেক হাসপাতাল পুলিশ পাড়ির এস আই আলাউদ্দিন তালুকদার। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টার দিকে চার শ্রমিককে হাসপাতালে আনা হলে দু‘জনকে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুই শ্রমিককে হাসপাতালের ক্যাজুয়াল্টি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।ওয়াসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হালিশহর এলাকায় পাইপলাইন স্থাপনের কাজ করছে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না হাইড্রো কোম্পানি। এ কাজে হঠাৎ করেই মাটি ধসে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে কাজ করা চারজন শ্রমিক মাটির নিচে চাপা পড়ে। আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস ও সহকর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে আহতদের উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় চারজনকেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি দুইজন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    ১৭ দিন আগে
    চট্টগ্রাম ওয়াসার পাইপলাইন স্থাপনের সময় চার শ্রমিক হতাহত

    তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

    কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১০ বছর পর প্রথমবারের মতো একজন সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম হাফিজুর রহমান। তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসের সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার। তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।বুধবার (২২ এপৃল) বিকেলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হক এ আদেশ দেন। সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম। এর আগে হাফিজুর রহমানকে নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হলে শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।মামলার নথি অনুযায়ী, গত ৬ এপৃল মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজন—তৎকালীন কুমিল্লা সেনানিবাসের সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক জাহাঙ্গীর ওরফে জাহিদের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার আবেদন করেন। আদালত এতে অনুমতি দেন। ২০১৭ সালে সিআইডি তনুর পোশাক থেকে সংগৃহীত নমুনার ডিএনএ পরীক্ষায় তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর উপস্থিতি পাওয়ার তথ্য জানানো হয়েছিল।আদালত সূত্র জানায়, আলোচিত এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৮০টির বেশি শুনানির তারিখ নির্ধারণ হয়েছে। গত এক দশকে চারটি সংস্থার সাতজন কর্মকর্তা মামলার তদন্ত করেছেন। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সন্দেহভাজন তিনজনই বর্তমানে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে আছেন। তবে তনু হত্যার পর তারা কবে অবসরে গেছেন বা বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করাতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাস এলাকার একটি জঙ্গলে তার মরদেহ পাওয়া যায়। এ সময় তনুকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।শুরুতে থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলাটি তদন্ত করলেও কোনো রহস্য উদঘাটন হয়নি। পরে পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলার নথি পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর থেকে মামলাটি পিবিআই তদন্ত করছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন।মামলার বাদী তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বুধবার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে থাকা অবস্থায় বলেছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে তনু হত্যার বিচার করবেন। আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মেয়ের হত্যার বিচার চাইবো। মেয়ের ছবি নিয়ে ঘুরছি।’ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘দেশের অনেক হত্যার বিচার হলেও আমার মেয়ের হত্যার বিচার কেন হচ্ছে না। গত ১০ বছর ধরে বিচার চেয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছি। এখন আর পারছি না। চাকরি থেকে অবসর নিয়েছি। এক মাসের মধ্যে বিচার না পেলে আমি আত্মহত্যা করবো। এ জীবন রেখে কী লাভ।

    ১৮ দিন আগে
    তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

    চসিকের গরুর বাজার নিয়ে টেন্ডার-রিটেন্ডার খেলা!

    বৈশাখ শুরু। ফলে প্রতিবছরের মতো কোরবানির আগের চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) আওতাধিন গরুর বাজারগুলো টেন্ডার দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আর প্রতিবছরের মতোই এবছরও গরুবাজার নিয়ে চলছে টেন্ডার-টেন্ডার খেলা। অবশেষে শুরু হাট কালেকশনের নামে লুটপাটের প্ল্যান। এমন অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতিবারের মতো এবারও তিন দফা টেন্ডার আহ্বান করেও চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে বড় পশুর বাজার সাগরিকা গরুর বাজারের ইজারা সম্পন্ন করা হয়নি। গত বছরের মতো হাট কালেকশনের পথে চলছে সাগরিকা গরুর বাজারটি। গতবারও এই পথে হেঁটে ২ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব কম আয় হয়েছে চসিকের। যা মূলত হয়েছে লুটপাট। ঠিক এবারও সাগরিকা গরুর বাজার নিয়ে টেন্ডার-টেন্ডার খেলায় হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, নিয়মানুযায়ী চসিকের নিয়ন্ত্রণাধীন চারটি হাট এবং ঘাট পহেলা বৈশাখ থেকে ৩০ চৈত্র সময়ের জন্য ইজারা দেয়া হয়। প্রতিবছর পহেলা বৈশাখ থেকে যাতে ঠিকাদার কার্যক্রম শুরু করতে পারেন সেভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এবছরও সেভাবে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। গত ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে গরুর বাজার ইজারা দেয়ার টেন্ডার আহ্বান করা হয়। কিন্তু টেন্ডারে কেউ অংশগ্রহণ করেননি। পরবর্তীতে মার্চ মাসে আহ্বান করা হয় দ্বিতীয় দফা টেন্ডার। তাতে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। ফলে ওই টেন্ডার বাতিল করা হয়। গত ১ এপৃল পুনরায় তৃতীয়দফা টেন্ডার আহ্বান করা হয়। এতে পাঁচটি দরপত্র বিক্রি হয়। এর মধ্যে টেন্ডার জমা পড়ে তিনটি। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতা জনৈক ইরফান সরওয়ারী খাঁন সরকারের ভ্যাট ট্যাক্সসহ ৮ কোটি ৮৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দর উল্লেখ করে। দ্বিতীয় দরদাতা ফজলে আলিম চৌধুরী (মীরা মেরিন) ভ্যাট ট্যাক্সসহ ৮ কোটি ১৪ লাখ ৭২ হাজার ২৩৩ টাকা এবং তৃতীয় দরদাতা সাজ্জাদ হোসাইন ভ্যাট ট্যাক্সসহ ৭ কোটি ১৯ লাখ ৪৪ হাজার ৩৭৫ টাকা দর উল্লেখ করেন। কিন্তু প্রত্যাশীত দরের অজুহাতে এই টেন্ডারও বাতিল করা হয়। ইতোমধ্যে বছর শুরু হওয়ায় গত পহেলা বৈশাখ থেকে বিশাল এই গরু বাজারের ইজারা আবারো হাট কালেকশনে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে নতুন করে চতুর্থ দফা টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যা প্রহসন বলে মনে করছেন ইজারাদাররা। ইজারাদারদের ভাষ্য, হাট কালেকশনের নামে লাখ লাখ টাকা নয় ছয় করার সুযোগ তৈরির জন্যই ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে না। এতে সরকার দেড় কোটি টাকারও বেশি নিশ্চিত ভ্যাট ও ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত হবে। সরকারের এই রাজস্ব লুটে খাবে হাট কালেকশনের দায়িত্ব পাওয়া ব্যক্তি ও চসিকের সংশ্লিষ্ট রাজস্ব কর্মকর্তারা। ইজারাদাররা গতবছরের বিষয়টিকে উদাহরণ হিসেবে সামনে এনে বলেন, গতবছর একাধিক টেন্ডারে পর সর্বোচ্চ সাগরিকা গরুর বাজারের দর উঠেছিল ৭ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সেই টেন্ডার সম্পন্ন না করে হাট কালেকশনের নামে প্রথম চার মাসের জন্য দেয়া হয় ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকায়। পরে দুই মাসের জন্য দেয়া হয় ২১ লাখ টাকায় এবং পরবর্তীতে আবার ৬ মাসের জন্য দেয়া হয় ৯৯ লাখ টাকায়।টেন্ডারে সাড়ে সাত কোটিরও বেশি টাকায় বাজার ইজারা দেয়া না হলেও হাট কালেকশনে পাওয়া যায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার কম। এর মধ্যে হাট কালেকশনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি ৫৫ লাখ টাকা আটকে রেখেছেন। পুনরায় উক্ত ব্যক্তিকে হাট কালেকশনের দায়িত্ব দেয়ায় সংশ্লিষ্টদের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে তৃতীয় দফা টেন্ডারের পর বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে সিদ্ধান্ত চাওয়ার নিয়ম থাকলেও এক্ষেত্রে অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে বলা হয়েছে যে, ইতোমধ্যে চতুর্থ দফা টেন্ডার আহ্বানের প্রক্রিয়া চলমান রেখেছে চসিকের রাজস্ব বিভাগ। জানা গেছে, চসিকের রাজস্ব বিভাগে কর্মরত রতি-মহারতি কর্মকর্তাদের সঙ্গে হাট কলেকশনের দায়িত্ব দেওয়ার ব্যক্তির দহরম-মহরম সম্পর্ক রয়েছে। ফলে নানা কুটকৌশলে অত্যন্ত গোপনীয়তার সহিত ভাগবাটোয়ারা চলে। এক্ষেত্রে কোটি টাকার হিসেব-নিকেশ হয়। টেন্ডারে অংশ নেয়া বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিষয়টিতে দৃষ্টিপাত করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা সিটি মেয়রের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে । বিষয়টি নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগের একাধিক কর্মকর্তাকে ফোন করা হলেও তারা ফোন ধরেননি। একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তিন দফা টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। কিন্তু প্রথম দফায় কেউ টেন্ডার নেননি, দ্বিতীয় দফায় মাত্র একজন এসেছিলেন। তৃতীয় দফায় তিনজন দরপত্র দাখিল করলেও প্রত্যাশিত দর পাওয়া যায়নি। তাই হাট কালেকশনের উদ্যোগ নিতে হয়েছে। হাট কালেকশন টেন্ডারে উল্লেখিত দরের চেয়ে বেশি না কম-এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারবেন না বলে জানান। এ বিষয়ে কথা বলতে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনিও কোনরকম সাড়া দেননি।

    ১৮ দিন আগে
    চসিকের গরুর বাজার নিয়ে টেন্ডার-রিটেন্ডার খেলা!

    বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নতুন গ্রাহকসেবা কেন্দ্র চালু

    বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সমস্যায় দ্রুত সমাধান পাবেন গ্রাহকরা।

    ৩২ দিন আগে
    বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নতুন গ্রাহকসেবা কেন্দ্র চালু

    রাজউকের নতুন পরিকল্পনা আইন বাস্তবায়ন শুরু

    অপরিকল্পিত নির্মাণ রোধে কঠোর পদক্ষেপ।

    ৩২ দিন আগে
    রাজউকের নতুন পরিকল্পনা আইন বাস্তবায়ন শুরু

    টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে নতুন নেতৃত্ব

    ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে নতুন পরিকল্পনা।

    ৩২ দিন আগে
    টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে নতুন নেতৃত্ব
    বিজ্ঞাপন — 300 × 250

    এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

    পদ্মা ব্যাংকের পেটে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৮০ কোটি টাকা!

    পদ্মা ব্যাংকের পেটে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৮০ কোটি টাকা!

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারাল কিশোরগঞ্জের রিয়াদ

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারাল কিশোরগঞ্জের রিয়াদ

    চবিতে প্রকাশ্যে আসছে এনসিপির ছাত্রসংগঠন ‘ছাত্রশক্তি

    চবিতে প্রকাশ্যে আসছে এনসিপির ছাত্রসংগঠন ‘ছাত্রশক্তি

    ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে এবার অভিযোগ জেবা জান্নাতের

    ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে এবার অভিযোগ জেবা জান্নাতের

    ইসরাইলের হামলায় লেবাননে আরও ৩৯ জন মারা গেছে.

    ইসরাইলের হামলায় লেবাননে আরও ৩৯ জন মারা গেছে.

    দুবাই যাচ্ছে জায়েদ খান, থাকছে নুসরাত ফারিয়াও!

    দুবাই যাচ্ছে জায়েদ খান, থাকছে নুসরাত ফারিয়াও!

    পাথরের বদলে গুলি, নাকি তাও মিথ্যা

    পাথরের বদলে গুলি, নাকি তাও মিথ্যা

    অজ্ঞাতবাস থেকে ফিরে যা বললেন মনজুর

    অজ্ঞাতবাস থেকে ফিরে যা বললেন মনজুর

    কক্সবাজার সি পার্ল বিচ রিসোর্টের ৬০০ কোটি টাকার বন্ড জালিয়াতি

    কক্সবাজার সি পার্ল বিচ রিসোর্টের ৬০০ কোটি টাকার বন্ড জালিয়াতি

    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    বিজ্ঞাপন — ৩০০ × ২৫০
    বিজ্ঞাপন — 970 × 90